প্ল্যান, পেমেন্ট, কুরিয়ার আর রোজকার দোকান চালানো, সব নিয়েই।
Free: চিরদিন ফ্রি, 50 প্রোডাক্ট, মাসে 100 অর্ডার। Starter: মাসে ৳999, 450 প্রোডাক্ট, মাসে 800 অর্ডার। Growth: মাসে ৳1,999, 1,000 প্রোডাক্ট, মাসে 1,800 অর্ডার। Enterprise: মাসে ৳3,499, আনলিমিটেড প্রোডাক্ট ও অর্ডার। পেইড প্ল্যানে বাৎসরিক বিলিং নিলে প্রায় 20% সাশ্রয় হয়।
হ্যাঁ। কোনো কার্ড ছাড়া, কোনো সময়সীমা ছাড়াই ফ্রি প্ল্যানে শুরু করতে পারবেন। যখন বেশি লিমিট, কুরিয়ার মডিউল, POS বা অন্যান্য অ্যাড-অন দরকার হবে, মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে স্টার্টার, গ্রোথ বা এন্টারপ্রাইজে আপগ্রেড করে নিন।
প্রাইসিং পেজ থেকে প্ল্যান বেছে নিন, সাইন ইন করুন বা মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলুন, তারপর বিকাশ বা SSLCommerz-এ পেমেন্ট সম্পন্ন করুন। পেমেন্ট সফল হলেই স্টোর অ্যাক্সেস আপডেট হয়ে যাবে।
মাসিক প্ল্যান প্রতি মাসে নির্ধারিত দামে রিনিউ হয়। বাৎসরিক প্ল্যানে বছরে একবার পেমেন্ট: Starter ৳9,590, Growth ৳19,190, Enterprise ৳33,590 বছরে। প্রতিটি সফল রিনিউয়ের পর প্ল্যান চালু থাকে।
অবশ্যই। মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ডে ঢুকে যেকোনো সময় প্ল্যান তুলনা করুন, রিনিউ করুন বা টিয়ার বদলে নিন। পেমেন্টের পর প্ল্যাটফর্মের বিলিং নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন কার্যকর হয়।
পেইড প্ল্যানে আলাদা ট্রায়াল নেই। প্ল্যাটফর্ম পরখ করতে ফ্রি প্ল্যানে শুরু করুন, বেশি লিমিট আর মডিউল দরকার হলে তখন আপগ্রেড করলেই হবে।
প্রতিটি প্ল্যানে মাসিক অর্ডার আর প্রোডাক্ট লিমিট আছে (এন্টারপ্রাইজ ছাড়া, সেটি আনলিমিটেড)। লিমিটের কাছাকাছি পৌঁছালে মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে পরের টিয়ারে আপগ্রেড করে নিন, যাতে বিক্রি থেমে না যায়।
মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন, একটি প্ল্যান নিন (ফ্রি বা পেইড), আপনার স্টোর নিজে নিজেই তৈরি হয়ে যাবে। এরপর মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে স্টোর অ্যাডমিনে ঢুকে প্রোডাক্ট যোগ করুন, পেমেন্ট সেট করুন, থিম বেছে নিন।
মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে "Open store admin" চাপলেই নিরাপদ ওয়ান-ক্লিক সাইন-ইন হয়ে যাবে। বিশ্বস্ত স্টাফদের জন্য বুকমার্ক-করার-মতো অ্যাডমিন লগইন লিংকও শেয়ার করতে পারবেন, দরকারে ড্যাশবোর্ড থেকে নতুন লিংক বানিয়ে নিন।
হ্যাঁ। প্রতিটি প্ল্যানেই কাস্টম ডোমেইনের সুবিধা আছে। প্ল্যান চালু হওয়ার পর স্টোর অ্যাডমিনের System settings থেকে ডোমেইন যুক্ত করুন আর নির্দেশনা অনুযায়ী DNS পয়েন্ট করুন।
বেশিরভাগ ব্যবসায়ী এক ঘণ্টারও কম সময়ে বেসিক স্টোর চালু করে ফেলেন: কয়েকটি প্রোডাক্ট যোগ, একটি পেমেন্ট মেথড চালু, শিপিং সেট, আর একটি থিম বাছাই। গভীর সেটআপ (কুরিয়ার, মডিউল, কাস্টম ডিজাইন) পরে নিজের সুবিধামতো করলেই চলবে।
না। বিপণিক বানানো হয়েছে ব্যবসায়ীদের জন্য, ডেভেলপারদের জন্য নয়। থিম, চেকআউট, পেমেন্ট, কুরিয়ার, সবই অ্যাডমিন প্যানেল থেকে সেট করা যায়। প্রতিটি ধাপের গাইড আছে ডকুমেন্টেশনে।
আপনার স্টোরে বিকাশ, নগদ, SSLCommerz (কার্ড ও ওয়ালেট) আর ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD), সবই চালু করা যায়। স্টোর অ্যাডমিন → eCart Options → Payment থেকে দরকারি মেথডগুলো চালু করুন।
Payment settings স্ক্রিনে আপনার বিকাশ মার্চেন্ট ক্রেডেনশিয়াল দিন। সেভ করে চালু করলেই ক্রেতারা চেকআউটে বিকাশে পেমেন্ট করতে পারবে। লাইভ যাওয়ার আগে ছোট একটা অর্ডার দিয়ে পরখ করে নিন।
হ্যাঁ। কার্ড ও ওয়ালেট চেকআউটের জন্য SSLCommerz সাপোর্টেড। Payment settings-এ স্টোর আইডি আর ক্রেডেনশিয়াল দিয়ে গেটওয়ে চালু করে দিন।
হ্যাঁ। ডিজিটাল পেমেন্টের পাশাপাশি COD-ও চালু রাখা যায়। চেকআউটে কোন কোন পেমেন্ট অপশন দেখাবে, তা Payment settings পেজ থেকে আপনিই ঠিক করবেন।
বিপণিকে Steadfast, Pathao আর Carrybee ইন্টিগ্রেশন আছে। প্ল্যানে থাকা কুরিয়ার মডিউল চালু করুন, API ক্রেডেনশিয়াল দিন, তারপর অর্ডার ম্যানেজমেন্ট থেকেই পার্সেল বুক আর ট্র্যাক করুন।
স্টোর অ্যাডমিন → eCart Options → Shipping থেকে শিপিং জোন আর রেট সেট করুন। ফ্ল্যাট রেট, জোনভিত্তিক দাম, বা আপনি সারা বাংলাদেশে যেভাবে ডেলিভারি করেন সেই অনুযায়ী নিয়ম, সবই বানানো যায়।
প্ল্যাটফর্মটি দেশি ডেলিভারি আর বাংলাদেশি কুরিয়ারের জন্য অপটিমাইজ করা। আন্তর্জাতিক বা কাস্টম শিপিং সেটআপ দরকার হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
Aura, Studio, Volt-সহ একাধিক মোবাইল-ফার্স্ট স্টোরফ্রন্ট থিম আছে। স্টোর অ্যাডমিনের Design থেকে থিম বদলান, হেডার-রং-নেভিগেশন নিজের মতো সাজান।
হ্যাঁ। POS মডিউল দিয়ে স্টোরে সরাসরি বিক্রি করতে পারবেন, ক্যাটালগ আর অর্ডারের সাথে সব সিংক থাকবে। কোন প্ল্যানে POS আছে, তা প্রাইসিং তুলনা টেবিলে দেখুন।
অ্যাবান্ডনড কার্ট মডিউল চেকআউটের তথ্য ধরে রাখে, যেসব ক্রেতা অর্ডার শেষ না করেই চলে গেছে, তাদের কাছে রিকভারি মেসেজ পাঠানো যায়। স্টোর অ্যাডমিনের Modules থেকে সেট করুন।
হ্যাঁ। অর্ডার অ্যালার্ট আর ক্রেতার OTP লগইনের জন্য SMS চালু করা যায়। SMS ক্রেডিট ম্যানেজ হয় স্টোর অ্যাডমিনের SMS মেনু থেকে; কিছু প্ল্যানে রিনিউয়ের সাথে ক্রেডিটও থাকে।
হ্যাঁ। Meta Pixel + CAPI মডিউল দিয়ে বিজ্ঞাপন আর সার্ভার-সাইড ইভেন্ট ট্র্যাক করতে পারবেন। প্ল্যানে মডিউলটি থাকলে সেটিংস থেকে পিক্সেল আইডি আর টোকেন যোগ করুন।
মার্চেন্ট পোর্টাল (biponik.bd-তে) সামলায় বিলিং, প্ল্যান, অ্যাফিলিয়েট আয় আর স্টোর অ্যাডমিন খোলা। আর স্টোর অ্যাডমিন (আপনার স্টোরের ঠিকানায়) হলো প্রোডাক্ট, অর্ডার, ডিজাইনসহ স্টোরের দৈনন্দিন সব কাজের জায়গা।
সেলস বা সাপোর্টের প্রশ্নে biponik.bd-এর কন্টাক্ট পেজ ব্যবহার করুন। সাইন-ইন করা ব্যবসায়ীরা মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে সাপোর্ট টিকিটও খুলতে পারেন। ধাপে ধাপে গাইডের জন্য দেখুন ডকুমেন্টেশন।
ডকুমেন্টেশন পেজে আছে পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট হ্যান্ডবুক, শুরু করা, পেমেন্ট, শিপিং, ডিজাইন, মডিউল, সবকিছু।
প্রতিটি স্টোর চলে আলাদা ইনফ্রাস্ট্রাকচারে, হোস্টেড ডোমেইনে SSL, পেইড টিয়ারে নিয়মিত ব্যাকআপ, আর আলাদা অ্যাডমিন অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ। শক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন, অ্যাডমিন লগইন লিংক কাকে দিচ্ছেন তা সীমিত রাখুন।
এখনও আটকে আছেন? আমাদের সাপোর্ট টিম বাংলাতেই উত্তর দেবে।
সাপোর্টে যোগাযোগ